বারট্রান্ড রাসেল (১৮৭২–১৯৭০) ছিলেন ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ, যুক্তিবিদ, প্রাবন্ধিক এবং সমাজচিন্তক। বিশ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী হিসেবে তিনি যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও গণিতের ভিত্তিগত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেডের সঙ্গে রচিত Principia Mathematica তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ। দর্শন, শিক্ষা, নৈতিকতা, ধর্ম, রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে তিনি অসংখ্য বই ও প্রবন্ধ লিখেছেন। মানবতাবাদ, স্বাধীন চিন্তা এবং শান্তিবাদের পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান তাঁকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তোলে। সাহিত্যিক কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর রচনাগুলো আজও সমালোচনামূলক চিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে।
Archives: Authors & Speakers
এরিক হবসবম
এরিক হবসবম (১৯১৭–২০১২) ছিলেন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ এবং বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী ইতিহাসচিন্তক। আধুনিক ইউরোপ, পুঁজিবাদ, জাতীয়তাবাদ, শ্রমিক আন্দোলন এবং সামাজিক ইতিহাস তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস অধ্যয়ন করেন এবং দীর্ঘদিন লন্ডনের বির্কবেক কলেজে অধ্যাপনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে The Age of Revolution, The Age of Capital, The Age of Empire, The Age of Extremes এবং The Invention of Tradition। বিশেষ করে ‘Invented Tradition’ ধারণার মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন, বহু প্রচলিত ঐতিহ্য আসলে আধুনিক রাষ্ট্র ও সমাজের নির্মাণ।
মার্টিন হাইডেগার
মার্টিন হাইডেগার (১৮৮৯–১৯৭৬) ছিলেন একজন জার্মান দার্শনিক এবং বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ। মানব-অস্তিত্ব, সময়, ভাষা এবং আধুনিকতার প্রশ্ন নিয়ে তাঁর গবেষণা সমকালীন দর্শনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। তাঁর সর্বাধিক পরিচিত গ্রন্থ *Being and Time* আধুনিক দর্শনের একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। তাঁর চিন্তাধারা দর্শন, সাহিত্য, ধর্মতত্ত্ব এবং সামাজিক তত্ত্বসহ বিভিন্ন শাস্ত্রে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে।
মুহাম্মাদ ইলহামী
মুহাম্মাদ ইলহামী (জন্ম ১৯৮৩) মিশরীয় ইতিহাসবিদ ও চিন্তাবিদ। ইসলামী ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সমসাময়িক ভূরাজনীতি তাঁর কাজের প্রধান ক্ষেত্র। আব্বাসীয় খিলাফতের ওপর তিন খণ্ডের ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ এবং ‘প্যালেস্টাইন: আ শর্ট হিস্ট্রি’ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। বর্তমানে ইস্তাম্বুলে অবস্থানরত।
মুহাম্মাদ উমর ফারুক
মুহাম্মদ ফারুক (পিএইচডি, ইউসি বার্কলে) সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ-পাশ্চাত্য দর্শন ও পরিবেশবিদ্যার একজন সহযোগী অধ্যাপক। এর আগে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন বিশ্বজনীন দার্শনিক, যিনি উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়াজুড়ে বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিয়েছেন। তাঁর লেখা বই ও গবেষণাপত্রগুলো বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর লেখা প্রথম বই, ‘Sculpting the Self’ (ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান প্রেস, ২০২১), মর্যাদাপূর্ণ ‘ওয়ার্ল্ড বুক অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। তিনি এখন পর্যন্ত পাঁচটি বই এবং শীর্ষস্থানীয় জার্নালগুলোতে পঞ্চাশটিরও বেশি গবেষণাপত্র লিখেছেন।
A. Aftab
A. Aftab writes on South Asian security, Indo-Pacific strategy, and geopolitical risk, with a particular focus on the intersection of military doctrine and international relations. He can be found on LinkedIn and Medium.
https://www.linkedin.com/in/ausiuddin-aftab-abir-434875135/
https://medium.com/@abiraftab
সাকিব রায়হান
ইতিহাস ও ভূ-রাজনীতি নিয়ে আগ্রহী। ইসলামী স্বর্ণযুগ আমাকে বারবার ভাবতে শেখায়—আমরা একসময় কী ছিলাম, আর আজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি। ইতিহাস ও ভূ-রাজনীতি নিয়ে ইউটিউবে কন্টেন্ট তৈরি করি, পাশাপাশি টুকটাক লেখালেখিও করি।
Abu Ibrahim
Ustadh Abu Ibrahim is a dedicated instructor, speaker, and mentor committed to empowering Muslims with hope, unity, and strength through Islam. Whether delivering khutbahs or teaching at the i3 Institute, he inspires individuals to live with purpose and integrity.
A long-time student of Sheikh Usta and Sheikh Rasoul, Abu Ibrahim combines deep Islamic knowledge with academic excellence, holding a Master’s in Math in Computer Science and a Bachelor’s in Pure Math. With his unique blend of technical expertise and passion for Islamic advocacy, he is equipped to guide the next generation of Muslim leaders, nurturing a united and resilient Ummah.
মো. কামাল হোসাইন
মো. কামাল হোসাইন। আমৃত্যু নিজেকে একজন ‘তালেবে ইলম’ পরিচয়ে তুলে ধরতেই তিনি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সাহিত্য, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামি সংস্কৃতির বিস্তৃত পরিসরে রয়েছে তার অনুসন্ধিৎসা। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাডেমিক পাঠ শেষে বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নিয়োজিত আছেন।
নাইম হাসান
নাইম হাসান আইনবিদ্যার একজন গবেষক ও পেশাজীবী। শিক্ষকতা ও আইনি পরামর্শক হিসেবে তার রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। বর্তমানে তিনি উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পুনরায় যুক্ত হয়েছেন; সেখানে আইনি শিক্ষা, গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের নির্দেশনায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
শিক্ষকতা ও গবেষণায় দক্ষতার পাশাপাশি স্প্রিংগার, এডওয়ার্ড এলগার এবং ব্রিলের মতো স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক জার্নালে তার বিভিন্ন গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। কর্পোরেট আইন, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স এবং বিরোধ নিষ্পত্তির মতো বিষয়গুলোতে তার বিশেষ পারদর্শিতা রয়েছে।
এর আগে তিনি পাওয়ার চায়নায় (বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) লিগ্যাল কাউন্সেল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও কমপ্লায়েন্স ফ্রেমওয়ার্ক তৈরিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তার মূল মনোযোগ একাডেমিয়াকে ঘিরে। আন্তঃবিভাগীয় গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তিনি আইনবিদ্যা এবং এ খাতের পেশাদারি উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছেন।
নাইম হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শিক্ষকতা, লেখালেখি ও জনসেবার মাধ্যমে আইন অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রয়াস তিনি অব্যাহত রেখেছেন।